Sunday, January 5, 2020

সৈনিকের দুঃস্বপ্ন

গ্রেনেডশূন্য হাতটা কাঁপছে
দূরের মানুষগুলোর আর্তনাদে আকাশ বাতাস ভারী
মুহূর্ত আগের উন্মত্ততা ভুলে স্নায়ু অবশ হয়ে আসে আমার

আজকে রাতে এই মানুষেরা সার বেঁধে আসবে দুঃস্বপ্নের ঘোরে
কারো পা উড়ে গেছে, কারো বুক এফোঁড় ওফোঁড়
কারো বা খুলির ফুটো দিয়ে বেরিয়ে আসবে গলিত মগজ

সবাই মিলে নেড়ে চেড়ে দেখবে
আমার মাথার কাছের রকেট লঞ্চার
কিংবা ঘুমন্ত হাতের সজাগ স্পর্শে রাখা এ.কে.ফর্টি সেভেনটাকে

চোখহীন কোটর থেকে চুঁইয়ে রক্ত বের হওয়া শিশুটা
সে আমাকে ঠেলে ওঠাবে ঘুম থেকে
জানতে চাইবে তার বাম চোখ কোথাও দেখেছি কিনা

প্রতিদিন বেয়োনেটে খুঁচিয়ে মারি ওদের
মর্টারের নির্মম আঘাতে থামিয়ে দেই হৃতকম্প
যেমনটা আমাকে বলে দেয়া আছে

তবুও দিনের আলো মরে গেলে
মরাগুলো ঠিকই উঠে আসবে মৃত্যুপুরী থেকে
সৈনিকের দুঃস্বপ্নের ঘোরে
হিসেব নিয়ে যাবে খোয়া যাওয়া অঙ্গপ্রত্যঙ্গের।।

পর্তুগালের অলিগলি-১

১ এলোমেলো কয়েক পাক ঘুরতেই ছোট্ট লিসবন বিমানবন্দরটা ফুরিয়ে গেল। ডিউটি ফ্রি শপে কেনাকাটা করার লোক নই। তারপরও এক-দুইটা পারফিউমের বোতল টিপেটুপে ...